- Advertisement -

ফল বৃক্ষের সামর্থ্য: খাদ্য, পুষ্টি ও অর্থ।

ফলদ গাছ

342

- Advertisement -

ফল বৃক্ষের সামর্থ্য: খাদ্য, পুষ্টি ও অর্থ।

কৃষিবিদ মোহাইমিনুর রশিদ

মানবজাতির সৃষ্টি ও বিকাশের সাথে ফল অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। প্রকৃতির অপার লীলাভূমিতে যত রকমের খাদ্য দ্রবাদি উৎপাদিত হয় তার মধ্যে ফলই সবচেয়ে বেশি পুষ্টিকর ও সুস্বাদু। ফলে রয়েছে মানবদেহের প্রয়োজনীয় সব গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। ফল বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন ও খনিজ পদার্থের সর্বোৎকৃষ্ট উৎস। ফল রান্না ছাড়া সরাসরি খাওয়া যায় বলে বিদ্যমান পুষ্টি উপাদানগুলোর সবই দেহ গ্রহন করতে পারে। এসব উপাদান দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধিসহ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে বিধায় এদের প্রটেকটিভ ফুড বা প্রতিরক্ষাকারী খাদ্য বলা হয়। কিন্তু অপর্যাপ্ত সরবরাহ ও গ্রহণের কারণে জনস্বাস্থ্যের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। সুস্থ, সবল জাতি গঠনে সুষম খাদ্য তথা ফসলের গুরুত্ব অপরিসীম। তাই দানা জাতীয় খাদ্য উৎপাদনের পাশাপাশি ফলের উন্নয়নে সমগুরুত্ব আরোপ করা প্রয়োজন।

পুষ্টিগুণ বিচারে ফলদ বৃক্ষের অবদান:
মানুষের খাদ্য তালিকায় ৬টি উপাদান যেমন আমিষ, শর্করা, চর্বি, খনিজ লবণ, ভিটামিন ও পানি অতীব প্রয়োজনীয়। সম্প্রতি আরো ১ টি উপাদানকে অত্যাবশ্যক হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে তা হলো রাফেজ বা আশ। মানব শরীরে প্রতিটি উপাদানের সুনির্দিষ্ট কার্যাবলী থাকায়, প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় এ সকল উপাদানগুলো পরিমিত মাত্রায় অবশ্যই থাকতে হয়। যে কোন একটি উপাদানের ঘাটতি বা অভাব দেখা দিলে মানুষ নানা শারীরবৃত্তীয় জটিলতার শিকার হয়। তবে পুষ্টি ও রোগ প্রতিরোধে সরাসরি খনিজ লবণ ও ভিটামিন কাজ করে থাকে। এই খনিজ লবণ ও ভিটামিনের প্রধানতম উৎসই হলো ফল।

শুধু স্বাদ, গন্ধ আর বর্ণেই নয় বরং পুষ্টি মানের দিকেও ফল উৎকৃষ্ট। ফলের মধ্যে রয়েছে মানব দেহের অতি প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান যা শারীরিক বাড় বাড়তি, মেধার বিকাশ, ভিটামিনের চাহিদা পূরণ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিসহ নানাবিধ কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ফলে সাধারণত পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন, খনিজ লবণ, আশ এবং উপকারী হরমোন ও ফাইটোক্যামিক্যালস থাকে যা মানব শরীরের বিভিন্ন রোগবালাই থেকে রক্ষা করে। ফল ঔষধিগুণে সমৃদ্ধ বিধায় একে রোগ প্রতিরোধী খাদ্যও বলা হয়। সরাসরি কাচা বা পাকা খাওয়া যায় বিধায় বিদ্যমান পুষ্টি উপাদানের সবটুকুই দেহের জন্য কাজে লাগে।

পুষ্টির সাথে মানুষের মেধা বিকাশের একটি সুসম্পর্ক রয়েছে। মাতৃগর্ভেই মানুষের মেধা বিকাশ হয় শতকরা ৪০ ভাগ এবং অবশিষ্ট ৬০ ভাগ মেধা বিকাশ হয় জন্মের প্রথম ৫ বছরের মধ্যে। বাংলাদেশে প্রায় ৬০ ভাগ শিশু অপুষ্টিজনিত সমস্যা নিয়ে জন্মগ্রহন করে। আমরা জানি, দেশে পুষ্টিজনিত সমস্যা তথা ভিটামিন-এ এর অভাবে প্রতি বছর ৩০ থেকে ৪০ হাজার শিশু অন্ধত্ব বরণ করে এবং রাতকানা রোগে ভোগে প্রায় পাচ লাখ শিশু। প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের ক্ষেত্রেও অধিকাংশ মানুষ পুষ্টিহীনতার শিকার। এক জরিপে দেখা যায়, প্রায় ৮৮ ভাগ মানুষ ভিটামিন-এ, ৯০ ভাগ মানুষ ভিটামিন-সি এবং ৯৩ ভাগ মানুষ ক্যালসিয়ামের অভাবে ভোগে থাকে। তাছাড়া প্রায় ৭০ ভাগ পুরুষ, ৭৩ ভাগ শিশু ও ৭৫ ভাগ মহিলা রক্ত স্বল্পতা বা এনিমিয়া রোগে ভোগে। অধ্যাপক মোহাম্মদ হোসেন (১৯৯২) এর সমীক্ষা মোতাবেক, শতকরা ৫০ ভাগ শিশু কম ওজনে জন্ম নেয়, ৫ বছর পর্যন্ত শিশুদের প্রায় ৭৫ ভাগই অপুষ্টিতে ভোগে, শতকরা ৭৫ ভাগ মহিলা ও শিশু এনিমিয়া বা রক্তশূণ্যতায় আক্রান্ত হয়, প্রতিবছর প্রায় ৩০ হাজার শিশু অন্ধত্বের বলি হচ্ছে, প্রায় ৭৬ ভাগ পরিবার ক্যালরীর অভাবে রয়েছে, ভিটামিন-এ, ভিটামিন-সি, রিবোফ্লাভিন এবং ক্যালসিয়ামের অভাবে ভুগছে যথাক্রমে ৯০ ভাগ, ৯৩ ভাগ, ৯৬ ভাগ এবং ৯৩ ভাগ পরিবার। তাছাড়া ১০ মিলিয়ন মানুষ গলাফোলা রোগে আক্রান্ত এবং প্রায় ২৩.৯ মিলিয়ন মানুষ গলাফোলা রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুকিতে রয়েছে। মানুষের সুস্থতা, পুষ্টি নিরাপত্তায় ফলই হতে পারে অন্যতম হাতিয়ার।

ফলের চাহিদা ও বর্তমান পরিস্থিতি
খাদ্য নিরাপত্তায় শস্য খাদ্যে আজ আমরা একটা শক্তিশালী পর্যায়ে কিন্তু পুষ্টি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। অর্থ্যাৎ ফল উৎপাদনে আমরা অনেক পিছিয়ে আছি। প্রতিদিন একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের প্রায় ১১৫ থেকে ২০০ গ্রাম ফল খাওয়ার প্রয়োজন কিন্তু দুভার্গ হলেও সত্য আমরা মাত্র ৪৫-৭৮ গ্রাম ফল খাচ্ছি। মানুষের বয়স অনুপাতে দৈনিক খাদ্য তালিকায় ফলের চাহিদা একটু ভিন্নতর যেমন শিশুদের জন্য ৩০ গ্রাম, কিশোর (১৩-১৯ বৎসর)দের জন্য ৬০ গ্রাম, প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য ৬০ গ্রাম এবং গর্ভবতী মহিলাদের ৯০ গ্রাম ফল খাওয়া অবশ্যই দরকার। সুপারিশকৃত নূন্যতম মাত্রানুযায়ী প্রায় ১৬ কোটি জনসংখ্যা অধ্যুষিত বাংলাদেশে বছওে প্রায় ৬৭.১৬ লাখ মে. টন ফল প্রয়োজন। বাংলাদেশে ২.৪৩ লাখ হেক্টর জমি থেকে প্রায় ৪৫.২১ লাখ মে. টন ফল উৎপাদন হয়। যা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম। তাছাড়া মৌসুমভিত্তিক প্রাপ্যতা, সংগ্রহোত্তর অপচয় ও ক্রয় ক্ষমতাজনিত পার্থক্য এ সমস্যাকে আরোও প্রকট করে রেখেছে। মোট চাষভূক্ত জমির মধ্যে ফলের আওতায় রয়েছে মাত্র শতকরা ১-২ ভাগ জমি যা নিতান্তই নাজুক। বর্তমানে দেশে যে পরিমাণ ফল উৎপাদিত হচ্ছে তা পুষ্টি বিজ্ঞানীদের সুপারিশকৃত মাত্রার প্রায় ৬৮ ভাগ পূরণ করতে পারছে। অবশিষ্ট ৩২ ভাগ ঘাটতি পূরণে প্রচলিত ও অপ্রচলিত ফলের উৎপাদন বৃদ্ধির যথেষ্ট প্রয়োজন রয়েছে।

দেশীয় ও অপ্রচলিত ফল
দেশি ফলে বেশি পুষ্টি ; অর্থ খাদ্যে পাই তুষ্টি।
বাংলাদেশে প্রায় ১৩০ রকমের ফলের সন্ধান পাওয়া গেছে। তার মধ্যে প্রায় ৭০ রকম প্রচলিত ও অপ্রচলিত ফলের ভান্ডার রয়েছে। প্রায় ৪০ টি ফল প্রচলিত হলেও অপ্রচলিত বা ব্যাপকভাবে বাগান চাষ করা হয় না ফলের সংখ্যাও প্রায় ৩০ টি। আম, কাঠাল, কলা, পেপে, কুল, আনারস, লিচু, পেয়ারা, নারিকেল ইত্যাদি প্রচলিত ফলগুলো ব্যাপকভাবে চাষ ও বিস্তার ঘটালেও বিভিন্ন অপ্রচলিত ফল যেমন লটকন, কামরাঙ্গা, লুকলুকি, করমচা, তেতুল, সফেদা, ডালিম, ডেফল, জামরুল, আতা, শরিফা কাউয়া ইত্যাদি ফলগুলো পুষ্টিগুণ ও রোগ প্রতিরোধ বৈশিষ্ট্য সমৃদ্ধ। তাছাড়া আধুনিকতার ছোয়ায় অধিকাংশ আধুনিক বাবা মা তাদের বাচ্চাদের আজকাল আপেল, আঙ্গুর, মাল্টা ইত্যাদি বিদেশী ফল খাওয়ান। অথচ পুষ্টিগুণ বিবেচনায় খাদ্যোযোগী প্রতি ১০০ গ্রাম আপেলে ভিটামিন সি আছে মাত্র ৩.৫ মিলিগ্রাম। বাংলার আপেল নামে খ্যাত পেয়ারাতে আছে ২১০ মিলিগ্রাম অর্থ্যাৎ প্রায় ৫০ গুন বেশি। আঙুরে খাদ্যশক্তি আছে মাত্র ১৭ কিলোক্যালরি যেখানে কুলে আছে ১০৪ কিলো ক্যালরি অর্থ্যাৎ ৬ গুণেরও বেশি। পাকা আম, পেপে ও কাঠালে ক্যারোটিন আছে যথাক্রমে ৮৩০০ মাইক্রোগ্রাম, ৮১০০ মাইক্রোগ্রাম এবং ৪৭০০ মাইক্রোগ্রাম। সে তুলনায় আঙুর, আপেল, বিদেশী নাশপাতি, বেদেনায় ক্যারোটিন আদৌ নেই। বিদেশি ফল মাল্টায় ক্যারোটিন শূণ্য অথচ দেশি ফল কমলায় ক্যারোটিনের পরিমান ৩৬২ মাইক্রোগ্রাম।

ফলদ বৃক্ষরোপণের সুযোগ ও সম্ভাবনা
বাংলাদেশে মোট চাষভূক্ত জমির মধ্যে ফল চাষের আওতায় ১-২% জমি রয়েছে। এখানে ফল চাষ বৃদ্ধির একটা বিরাট সুযোগ রয়েছে। বসত বাড়ি, স্কুল কলেজ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের আঙ্গিনা, রাস্তা ঘাট, বাধ, পতিত জমি, ভবনের ছাদ ইত্যাদি জায়গায় অনায়শেই ফলদ গাছ রোপন করা যায়। তাছাড়া দানাজাতীয় খাদ্য শস্যের তুলনায় ফলের ফলন অনেক বেশি পরিমাণ পাওয়া যায়। এতে দেশে সামগ্রিক খাদ্যের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। উৎপাদিত ফল খাদ্যাহারে নিয়ে এসে খাদ্যাভাসের ইতিবাচক পরিবর্তন নিশ্চিত করা যায়। ফল ফসল এবং দানা শস্যের একটি তুলনামূলক ফলন-এক হেক্টর জমিতে ধানের উৎপাদন যেখানে ৩.০ থেকে ৪.০ মে.টন, গমের উৎপাদন ১.৭ মে.টন, ডালের উৎপাদন ০.৯২ মে.টন সেখানে একই পরিমাণ জমিতে কলার উৎপাদন হচ্ছে হেক্টরপ্রতি প্রায় ২০ মে.টন, আনারস হয় ১৫ মে.টন, আমের উৎপাদন প্রায় ২৫মে.টন, কাঠালের উৎপাদন প্রায় ৭৯ মে.টন এবং পেয়ারার উৎপাদন প্রায় ২৫ মে.টন। তাই ফল চাষ বাড়ানো মানেই অর্থ এবং পুষ্টি উভয়ই লাভ।

অর্থনীতিতে অবদান ও ফল রপ্তানি
বিশ্বের ফল বাণিজ্যে বাংলাদেশের অবদান খুবই নগন্য। বর্তমানে সীমিত আকারে বিশ্বের প্রায় ৪০টি দেশ যেমন যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ইতালি, ফ্রান্স, সৌদিআরব, কুয়েত, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন এবং ওমান দেশগুলোতে ফল রপ্তানি করা হয়। কাঠাল, আম, জারা লেবু, এলাচি লেবু, সাতকরা, তৈকর, লটকন, জলপাই, পেয়ারা, বেল, কদবেল, আমলকী, বাতাবি লেবু, তেতুল ও চালতা ইত্যাদি ফল গুলো রপ্তানি করা হয়। মান সম্মত উপায়ে উৎপাদন, সংগ্রহ, প্যাকেজিং ও পরিবহন ব্যবস্থাজণিত সমস্যার কারণে থাইল্যান্ড, ভারত, পাকিস্থান, ফিলিপাইন, চীন দেশগুলোর সাথে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা বেশ দু:সাধ্য ব্যাপার। তারপরও গত ২০১৩-১৪ অর্থবছরে প্রায় ১৯,২৯২ মে.টন ফল বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করা হয়। এতে মোট আয় হয় প্রায় ৬২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা বাংলাদেশের অর্থনীতির চাকা সমৃদ্ধ করেছে। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ফলের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। জাতীয় অর্থনীতিতে মোট ফসলভিত্তিক আয়ের ১০% আসে ফল থেকে।

ফলের মৌসুমভিত্তিক প্রাপ্যতা নিশ্চিতকরণ
আমাদের দেশে ফল প্রাপ্তির সময় খুবই সংক্ষিপ্ত। গবেষণার রিপোর্ট মোতাবেক, বৈশাখ থেকে শ্রাবন মাস-এ মোট ৪ মাসে ৫৪% ফলের প্রাচুর্য দেখা যায়। বাকি ৮ মাসে পাওয়া যায় মাত্র ৪৬% ফল। আবার জ্যৈষ্ঠ মাসে ১৪% ও আষাঢ় মাসে ১৭% ফল উৎপন্ন হয়। অর্থ্যাৎ মোট উৎপাদনের ৩১% ফল উৎপাদন হয় এই দুমাসে। তাই বছরের বেশির সময়ই আমরা দেশি ফল খেতে পারি না। তাছাড়া ফল পচনশীল পণ্য। উপযুক্ত পরিবহন ব্যবস্থা, সংরক্ষন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতকরণের অভাবে প্রায়শই ন্যায্য বাজারমূল্য না পাওয়ায় মোট ফলনের প্রায় ৪০ ভাগ ফল সংগ্রহোত্তর নষ্ট হয়ে যায়। কথায় আছে, বারো মাসে বারো ফল; না খেলে যায় রসাতল। সারা বছর ফল পেতে হলে পরিকল্পিতভাবে ফলের আবাদ করতে হবে। তাই মানসম্মত আধুনিক জাত, অঞ্চলভিত্তিক ফলের প্রাপ্যতা, বিতরণ, বালাইয়ের আক্রমণ, ফল সংগ্রহোত্তর অপচয়, কৃষকদের অসচেতনতা, বাজারজাতকরণের প্রতিবন্ধকতা নিয়ে কাজ করতে হবে।

কৃষি প্রধান এদেশে ফলের বাহারে বাংলার ভুবন উল্লাসে মাতোয়ারা। সুষ্ঠু পরিকল্পনা, যথোপযুক্ত বাস্তবায়ন কৌশল এবং প্রাসঙ্গিক কার্যক্রম আমাদের পথচলাকে আরোও প্রশস্থ করতে পারে। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় উত্তরাঞ্চলের কৃষক ভাইয়েরা প্রমাণ করেছে কিভাবে ফল উৎপাদন করতে হয়। সিলেট অঞ্চলেও রয়েছে অপার সম্ভাবনা। শুধু দরকার সম্মিলিত উদ্যোগ। ফলের দেশ গড়তে ফল পরিকল্পনা, ফলের জাত উন্নয়ন, আধুনিক উৎপাদন কৌশল, বিপণন এবং সার্বিক প্রচার প্রচারণা যথোপযুক্তভাবে করতে হবে। তবেই কেবল আমরা গর্ব করতে পারব। তবেই ফলদ বৃক্ষ রোপণ পক্ষ ২০১৫ এর প্রতিপাদ্য শ্লোগান দিন বদলের বাংলাদেশ, ফল বৃক্ষে ভরবো দেশ সার্থক করতে পারব। (তথ্যসূত্র: কৃষিকথা, কৃষি বিষয়ক বিভিন্ন পত্রিকার রিপোর্ট, কৃষি বিষয়ক বিভিন্ন বই, লিফলেট, ফোল্ডার ইত্যাদি)

 

- Advertisement -

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়, কিন্তু ট্র্যাকব্যাক এবং পিংব্যাক খোলা.